
অশোকেন্দু সেনগুপ্ত
“অনেকেই লেখেন। তা বলে সবার সব লেখা পাঠযোগ্য হয় না।ব্যতিক্রম সঞ্জয়। তাঁর প্রতিটি লেখাই মন দিয়ে পড়তে হয়। বা সে পড়িয়ে নেয়।অসামান্য সে গুণ আছে তাঁর। ” —- অশোকেন্দু সেনগুপ্ত , বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ।পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার কমিশনের ভূর্তপূর্ব চেয়ারপার্সন।

তপোধীর ভট্টাচার্য
সঞ্জয় এর সবচেয়ে বড়ো বৈশিষ্ট্য হলো তাঁর দৃষ্টির বহুত্ব ও সীমাতিযায়িতা। বিবিধ সংকটে দীর্ণ সমাজ, তার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অসহায়তা, উপলব্ধির ঘাটতি, সম্ভাবনা ও কূটাভাস: কোনো কিছুই তাঁর নজর এড়িয়ে যায় না। লেখার ভাষাও অনায়াস,গতিময়।নিয়ত জেগে আছেন সঞ্জয়, চলমান জীবন থেকে খুঁজে নিচ্ছেন সেই দর্পণ যা প্রকাশ্য হয়েও অপ্রকাশিত থাকে।তাই তাঁর গ্রন্থপঞ্জি আগ্রহী পড়ুয়াদেব দ্বারা সমাদৃত হবে, এই ভরসা রাখতেই পারি।।
—— তপোধীর ভট্টাচার্য, বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সমালোচক, ভূতপূর্ব উপাচার্য, অসম বিশ্ব বিদ্যালয়
—— তপোধীর ভট্টাচার্য, বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সমালোচক, ভূতপূর্ব উপাচার্য, অসম বিশ্ব বিদ্যালয়

সমীর আইচ
” সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের অসামান্য লেখনি ক্ষমতা। এবং সেটা বিভিন্ন বিষয়ের উপর। কোন একটি বিষয় নিয়ে নয়। বিভিন্ন সংবাদপত্রে তাঁর লেখা পড়ে আমরা সমৃদ্ধ হই। উনার লেখা পড়লে বিষয়টা অনেকটা স্বচ্ছ হয়ে আসে।” — সমীর আইচ, বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ও আলোচক

রতন খাসনাবিস
“সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় একজন পরিণত লেখক। তাঁর লেখা পড়লেই বোঝা যায়, understanding পরিষ্কার না হলে এই ধরনের লেখা সম্ভবই নয়। এর থেকে বলা যায় তাঁর প্রতিটা লেখাই অনেক পরিণত। তাই তাঁকে অনেক অভিনন্দন।”— অধ্যাপক রতন খাসনাবিস , বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ।